এট্টুসখানি ঘি ঢালতেই
জ্বলন্ত ঐ আগুনে
মরছে ওরা জ্বলেপুড়ে
গ্রীষ্ম বর্ষায় ফাগুনে!
আগুন পোড়ায় ঘি-ও পোড়ে
কে জিতে হয় রাজারে?
সত্য-মিথ্যায় প্রভেদ থাকে?
উলঙ্গিনীর বাজারে!
°
°
°
উলঙ্গিনী
_____________ রশিদ ভাই
এক নয় একুশ
সময়ের ভাবনাগুলো কলমের মুখ নিসৃত বানী। ব্লগে প্রকাশিত লেখাগুলো পড়ুন ও লিখুন। আপনার সুচিন্তিত মতামত একে আরও সমৃদ্ধ করবে।
আসলেই কি তাই
লোকে প্রেমে পড়লেই কবি হয়?
- না মশায়, একদমই তেমন নয়!
তাহলে সে কবিতার জন্ম দেয় কীভাবে?
যখন, এটা সর্বজনবিদিত লোকে প্রেমে পড়লেই...
- হা হা হা... গুরু
ব্যাপারটা এমন নয়, বলা যায়
প্রেমে পড়লে লোকেদের সুপ্ত কবি প্রতিভার
একটা অবিশ্বাস্য অবিস্মরণীয় স্ফূরণ ঘটে
কোটি কোটি নিউরন অনুরণিত হয়
রঙ্গিন পৃথিবী ধরা দেয় হাতের মুঠোয়
সপ্তাকাশের তাঁরা যেনো একেকটা বেলীফুল
কবি মালা গাঁথে, গুঁজে দেয় চাঁদের খোঁপায়!
তখন...
বনের পাখিরা তাঁর সুরে গলা ছাড়ে
সাগরের ঢেউ খেলানো আনন্দে মাতে
সে পাহাড়চূড়ায় দাঁড়িয়ে আপনমনে গায়...
"ভালবাসি গো...
ভালবাসি গো তোমায়..."
কবিগণ প্রেমে পড়ে
আদা-জল খেয়ে মাঠে ঘাটে বন্দরে সকালসন্ধে গভীর রাত্রি কিংবা ভোরে শয়নেস্বপনে হাবুডুবু!
মধ্যিখানে দাঁড়িয়ে রঙ্গিন সময়
- শেষমেশ?
প্রেমিকা চলে যায় অন্যের ঘরে!
সে ছ্যাঁকা খায় ধোঁকায় পড়ে
সে কেঁদে ওঠে বিরহনলে পুড়ে
হারিয়ে যায় ভুল অভিমানে
কখনোবা মজনু সেজে কাগজও কুড়োয়!
এক্ষেত্রে
বড় মনের কবিরা শুধু হাবুডুবু খেতেই ভালবাসে
ঐসব ছ্যাঁকা কিংবা ধোঁকা তাদের দিলদুয়ার পর্যন্ত পৌঁছায় ঠিকই, কিন্তু, ভেতরে প্রবেশ করে না!
করতে পারে না, কেননা
সেখানে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে তারা বদ্ধপরিকর
এই কবিরা একবার নয় বারবার
জলে ভিজে যায়-দেয় ডুবসাঁতার
বলাবাহুল্য,
জগতে এরাই সবচেয়ে উঁচু দরের কবি ও প্রেমিক।
সারমর্মে,
এই জ্ঞানগর্ভ আলোচনার প্রমাণিত সত্য এটাই যে,
তারা সকলেই কবি, যারা প্রেমে পড়ে...
- আর যারা অপ্রেমিক?
তারা না কবি না প্রেমিক, ওরা ঝাউগাছ!
সুতরাং, প্রেমে পড়ে কেউ কবি হয় না
মূলতঃ প্রেমিকেরা কবি হয়েই জন্মায়!
আজকাল
কোনো কোনো প্রেমিকের
পুরনো স্মৃতি তরতাজা হয়ে সামনে দাঁড়ায়
অতঃপর দু'জন-গভীরে যায়
আরও গভীরে গিয়ে স্মৃতি হাতড়ে খুঁজে
পেতে চায় প্রথম প্রেমের দ্বিতীয় স্পর্শ!
কখনো এ প্রেম দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে
এর নীলাভ আগুন সবকিছু করে দেয় ছারখার!
আকছার
এ প্রেম খানিকটা নিস্পৃহতা প্রকাশ করে
তবে, অনুভূতিদের নেই এতটুকু নড়চড়
ওরা সেখানেই ফিরে যায়
যেখানে লিখেছিল প্রেমের মহাকাব্য
হাজারো স্বপ্ন সাজিয়েছিল কাব্যকথায়
সেখানে আবার
নীরব গোপনে সবার অলক্ষ্যে
চুম্বনে চুম্বনে ভরিয়ে দেয় কপোল ওষ্ঠ চোখ
পবিত্র এই প্রেম, এ প্রেম পূর্ণ হোক।
অপূর্ণ ইচ্ছের জগতে কিছু প্রেম প্রকাশিত
কিছু অপ্রকাশিতই থেকে যায় নানান রূপে
এরকম
নিষ্কলুষ নিষ্পাপ মিষ্টিরিয়াজ কতশত প্রেম
অপূর্ণ থেকে যায় হয়ে যায় দূরান্তরের চাঁদ!
তার হিসেব কেউ রাখে?
- না, কেউ-ই রাখে না!
কেন রাখে না?
- কেন রাখে না, এটা তেমন বড় প্রশ্ন নয়
বড় প্রশ্ন হলো এসবের হিসেব রেখেই বা কী হবে?
যাক,
আপাততঃ বাদ দাও সেসব কথা
যাকে ভালবাসি সে হেঁটে যাচ্ছে
আমি তাকে দেখি, বারবার দেখি!
এই দেখাদেখি চোখাচোখিতে নিষেধ নেই
একটু ছুঁয়ে দিই?
- নাহ, ওসব ছোঁয়াছুঁয়ি বলাবলি নিষিদ্ধ!
সে কী! কেন ছোঁয়া যাবে না?
কেন বলা যাবে না কেন!
এ-তো প্রেম-
প্রেম মানে কবিতা
প্রেম মানে অধিকার
সে-তো কোনো পাপ নয়!
জেনে রেখো
যে প্রেমিক সে কবি
প্রকৃতির নিয়মে প্রেমিকেরা কবি হয়েই জন্মায়
তারা আজ মানবসৃষ্ট নিয়মের বেড়াজালে বন্দী
তবুও চলে ছোঁয়াছুঁয়ি
চলে প্রেম প্রেম খেলা
আবেগে অনুভবে হৃদয়ের অলিন্দ দোলা দিলে
কুঁকড়ে ওঠে কবি, প্রসব বেদনায়
লিখে রাখে কবিতার পাতায় পাতায়
"ভালবাসি গো...
ভালবাসি গো তোমায়..."
°
°
°
কবি ও প্রেমিক
________________ রশিদ ভাই
সাতাশ আট একুশ
মফিজ কয়:
সউগ আস্তা ওদিই হউগ
হামার এদি না নাগে.....?
ওদি দিয়া বড়সড় হনু বাড়ি যায়
এদি দিয়া মফিজের বউ গার্মেচ দৌড়ায়!
আর গরীব চাষাভুষা? দ্যাশের সোগারে ভাত যোগায়...
খবরওয়ালা'ক কই
আপা-তোতো
ঐল্লা পরীমনি আর টরীমনির গল্প বাদ দেও
তিনবিঘা এক্সপ্রেস টেরেন, ফোরলেন আস্তা
আর তিস্তার বাঁধ নিয়া কতা কও
হামার দুউক্কো তুলি না ধইরলে
হনু মিয়ারা করি দিবে?
ওমাগুলাক কন,
এদি সহজসরল সাদাভ্যাল্টা আর শিক্ষিত মফিজও বসবাস করে
আচ্চা!
ওমরা কি হামাক সারাজেবন মফিজ বানে থুবার চায়?
নাকি পোওজ্জা ভাবে?
ক্যানে বাহে, এদিককার বরাদ্দের পাইসা ফুরি যায়?
দ্যাশের ইনকামের কয় পার্সেন্ট মফিজের ঘর পায়?
আস্তাঘাট খালি ওমারে নাগে, হামার নাগে না?
বাহে, এই কতাগুলার ঠিকঠাক উত্তর চাঙ
আর মনে থোন,
এই মফিজ খ্যাইপলে কিন্তুক সগাকে কান্দে ছাড়ি দিবে!
সুতারাং, তাড়াতাড়ি জোড়ন দেও
ইয়াতে তোমারো ভালো হামারো ভালো দ্যাশেরও ভালো;
আরও বড় কতা, শ্যাখ সায়েবের স্বপ্নোপূরোণ হৈবে
পেত্তেকটা গেরাম শহর হয়া যাইবে...
°
°
°
মফিজ
_______________ রশিদ ভাই
বাইশ আট একুশ
অক্ষির সম্মুখে সবকিছু ঘটে যায়
যাকিছু ঘটে যাক কাপুরুষ চেয়ে রয়!
সারি সারি লাশগুলো কার ঘাড়ে হেটে যায়?
তখনও যে সুপুরুষ নীরবেতে কেঁদে যায়.....!
মদ্যপ- মাতালেরা ফুলগুলো ছিঁড়ে নেয়
সুস্থচিত্তে কাপুরুষ চেয়েচেয়ে মজা নেয়!
এখন বাসি ফুলে দেবতা
পূজো নিতে নাহি চায়।।
°
°
°
কাপুরুষ
পেশা বা যোগ্যতায়
তিনি যে অবস্থানেই থাকুক
যিনি বাংলা মায়ের 'সূর্য সন্তান'
তাকে নিয়ে এভাবে ভাবা উচিত নয়
এ ভাবনাটা বিপদজনক!
এই বিপদজনক শব্দটা সতর্কবার্তা নয়, পরিণতি!
ওরে বাহাদুর....
তিনি যদু মদু কদু নন
একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা;
তাঁকে অপমানিত করলে....
স্বাধীনতা পরিবার চুপ থাকবে?
প্রিয় ভস্ম ভূতনাথ
কান চিমটে মনে রেখো
ললাটে কপাট খোলে না!
তাকে জড়িয়ে ভুলভাল
ভুলেও ভেবো না!!!
কেন ভুলে যাও?
ঘরে আগুন লাগিয়ে সুপুত্তুর সাজা যায়
কিন্তু, প্রকৃত সন্তান হওয়া যায় না।
সময়ে ক্ষমা চেয়ে নাও
সুপুত্তুর নয় সন্তান হয়ে ওঠো
এতেই পরিবারের মঙ্গল .......
°
°
°
স্বাধীনতা পরিবার
_________________ রশিদ ভাই।
আঠারো আট একুশ
শেষের পরের কথা.....
আঁতেলেকচুয়াল তেলবাজদের অতিরঞ্জন গা ঘিনঘিন করায়। এরা বাপের অপমানে গর্জে উঠতে কার অনুমতি চায়?
আমি শিল্পী
তাই গানে গানে অনুভূতির প্রকাশ করি
তিনি কবি
কলমের আঁচড়ে তুলে ধরেন অব্যক্ত কাব্য
আর ইনি অভিনয়ে ফুটিয়ে তোলেন পরিপূর্ণ জীবন
পাশেই যিনি-ঐ যে উনি,
উনি রাজপথে স্লোগান মুখরিত কণ্ঠ
অন্যায়ের বিরুদ্ধে নিয়তই জানান কঠোর প্রতিবাদ
এরা কারা?
আমি জানি না!
যাদের অনুভূতি প্রকাশের ভাষা অশ্রাব্য, নোংরা, গালিতে!
যদিও
প্রতিটিই অর্থপূর্ণ, অনুভূতি প্রকাশের ভাষা মাত্র
তবুও, প্রকাশভঙ্গীর পার্থক্য নিজেদের খেয়ালে
জানি, এ ভাষার বহুরূপ!
আমরা মানুষ,
সুখের উল্লাসে হাসি
দুখের আতিশয্যে কেঁদে উঠি
আবার এও বুঝি
প্রকাশের ভাষা সবসময় একইরকম নয়, হয়ও না!
কখনো সুখে
কখনো দুখে
হাসিকান্নারাও বদলে নেয় নিজেদের চরিত্র
সহসা আমিও বদলে যাই
অথচ, কখনোই বুঝি নাই!
কে আমি?
কী আমার চরিত্র?
°
°
°
ভাষা ও চরিত্র
________________ রশিদ ভাই।
উনিশ আট একুশ
রাজনীতিটা ফেসবুকেতেই
মাঠে কেউ আর নামেন না!
জয়বাংলার শ্লোগান তুলে
কেউ কেন আর ঘামেন না?
চলছে কিরে? দেখছো নারে!
যা দেখা যায় সংবাদে
মুজিব সেনা ঘরের কোনে
দ্বন্দ্ব কিসের ব্রোজেন দা?
জঙ্গিবাদী সাম্প্রদায়িক
সম্প্রীতিটা বোঝে না!
ওরা শুধু রক্ত খোঁজে
তালিবানদের দ্যাখেন না?
পরিযায়ী পাখি যতো
খামচে ধরে ক্ষমতা
ময়না পাখি যাচ্ছে গেয়ে
উন্নয়নের নামতা.....!
অন্নবস্ত্র স্বাস্থ্যশিক্ষা
ঘরদুয়ারে দুর্নীতি
রোহিঙ্গারা ঘাড়ের ওপর
চলছে কেমন কূটনীতি?
বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে
আদর্শিক আর মানুষ নাই?
তবুও মোরা যাচ্ছি গেয়ে
সবার সেরা গেন্দু ভাই.....!
°
°
°
বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ
__________________ রশিদ ভাই।
পনেরো আট একুশ
বেজন্মা কুকুর
ইবনে মিজান
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
চারিদিকে জল!
থৈথৈ থৈথৈ;
সাপ-ব্যাঙ, মানুষে-
হয়েছে সম্মিলন!
বন্যাজল অথৈ!
হাস, মুরগি, গরুগুলো
করছে তাথৈ তাথৈ!!
ভাল নেই, ভাল নেই
মানুষগুলো ভাল নেই
ঘরে জল, বাইরে জল
জলে জলে অথৈজল!!
বিকট আওয়াজ, কিসের?
কপ্টার ডানামেলে এলোরে!
দু:খটা বুঝি এবার ঘুচল রে!
নাইরে, নাইরে কোনকিছু নাইরে!
কোন নেতাজি বাইরে?
নাইরে, নাইরে !!
হাহাকার, হাহাকার
আছে মাছ, ভাত নাই
চুলা নাই, খড়ি নাই
কারও মুখে ভাত নাই!
নাই নাই, কেউ নাই
নেতা নাই, কর্মী নাই
আশেপাশে খুঁজি ওদের-
বাতেলাবাজরা?
কেউ নাই! কেউ নাই!
কি করি কোথা যাই?
রেললাইন সেও নাই!
তিস্তার গভীরতা?
নাই-নাই সেও নাই!
বামতীরে বাঁধ নাই!
সেচকালে পানি নাই!
প্রবাহপথ রুদ্ধ করে-
বাণিজ্যকুঠি গড়েছে মশাই!
অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যাজল-
ভেসে যাই, ভেসে যাই!!
তাইরে নাইরে, ভোট এলে কত সুর
ভোট গেলে তোরা যেন, বেজন্মা কুকুর!!
কুকুরেও বিশ্বাস আছে
তোদের প্রতি বিশ্বাস নাই;
ভোট এলে হবে দেখা
এবার তবে আসি,যাই।।
১৪ আগস্ট ২০১৭
১০.৩১ (পানিবন্দি)
আজ আর কাঁদিনা,
এই ভেবে তুমি আছ-
বাঙ্গালীর অন্তরে অন্তরে।
তুমি চলে গেছো দূরে
বিধাতার আসন ফুঁড়ে
দূরে কোন পরপারে।
পাঠিয়েছে পরপারে যারা
ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলেছে;
কুকুরের মত গ্যাছে মারা।
পিতা- ভুলিনি তোমায়
ধরে আছি সেই স্বপ্ন
যা দেখিয়েছ আমায়।
বাংলার আকাশে বাতাসে
নদীজল সাগরের তীরে;
তোমার স্নেহ, মায়া, মমতা
এখনো রয়েছে ঘিরে।
১৪ আগস্ট ২০১৭
নিরুপায় এবং অসহায় লোকেরা
আকাশ পানে তাকিয়ে ভাবতে থাকেন
"নিশ্চয়ই, তিনিই সকল দুঃখ কষ্ট দূর করিবেন"।
এদিকে বাড়তেই থাকে নিস্পাপ লাশের সারি
কিছুতেই থামে না নির্মম মৃত্যুর মিছিল........!
অতঃপর,
লোকেরা চোখ মাথা ঘাড় ফিরিয়ে দেখলো ফলস্বরূপ কিছুই হইলো না, কিচ্ছুই না!
তখনই ......
আসমান ফুঁড়ে আওয়াজ এলো
তোমাদের ভাগ্য তোমরাই লেখো।।
°
°
°
ভাগ্যবান
______________ রশিদ ভাই।
সাতাশ চার একুশ
বঙ্গবন্ধু
ইবনে মিজান
-----------------------------------------
সেদিন মেঘগুলি জোট বেধেছিল
আকাশে বাঁজছিল যুদ্ধের দামামা!
পূর্বপরিকল্পিত নিদারুণ যুদ্ধ ছিল,
যুদ্ধক্ষেত্র কাঁদছিল - কান্না হয়ে
ঘরের ছাদে রিমঝিম শব্দে
অঝোরে ঝরে যাচ্ছিল ।।
বিদ্যুৎতরঙ্গ বারবার করছিল শাসন,
কিন্তু কেউ কোন কথায় দেয়নি কান;
পৃথিবী ঢেকে ছিল নিকষ অন্ধকারে,
এমন সময় বুটের ঠকঠক শব্দ করে-
কেউ যেন আসছিল- উপরের ঘরে।।
বন্দুক, বেয়নেট হাতে ওরা
যেন শয়তানের প্রতিরুপ!
বউ, বাচ্চা সবাই পরল মারা;
সীমারের বুকে ছিল না মায়া;
ছোট্ট রাসেলও পায়নি রেহাই
শোনেনি ইবলিশ -বিধাতার দোহাই।।
ঝাঁজরা করে দিল বুক- গুলির বৃষ্টিতে
লুটিয়ে পড়ল অমর পুরুষ -আপন ভূমিতে;
পাখিগুলো সব, করে কলরব-
জানিয়ে দিল বৃষ্টিস্নাত বাতাসে
বঙ্গবন্ধু খুন হয় হয়েছে-লোহিত যাচ্ছে ভেসে।।
৯-৮-১৭
বলছে আমার পরাণ পাখি
দুনিয়াদারি সবই ফাঁকি
এখানে আর থাকতে চাইনা ভাইরে
চলে যাবো সময় হাতে নাইরে।।
আছেরে তোর বাড়ীগাড়ি
ক্ষমতাআর জমিদারী।।
মাটির কলস ভর্তি তাড়ি -
আমিতো আর চাইনা কিছু ভাইরে
চলে যাবো সময় হাতে নাইরে।।
সাথে তোর সুন্দরি নারী
সোনারূপোর ছড়াছড়ি।।
কোটিপতির বাহাদুরি -
আমিতো আর চাইনা কিছুই ভাইরে
চলে যাবো সময় হাতে নাইরে।।
ওপার হতে ডাক এসেছে
কপালেতে ভাঁজ পরেছে।।
চুলেতে পাক ধরেছে
পরপারে যেতে হবে ভাইরে
চলে যাবো সময় হাতে নাইরে।।
আমলের খাতা ভরে
যেতে হবে পরপারে।।
খাতাখানি শূন্য পড়ে-
খালিহাতে কেমন করে যাইরে
ভোগেরখেলা বন্ধ করো ভাইরে।।
আমার____
পরাণ পাখি বলছে ডাকি
দুনিয়াদারি সবই ফাঁকি
আমিতো চাইনা কিছুই ভাইরে
খালি হাতে কেমন করে যাইরে।।
পরপারে যেতে হবে ভাইরে...
চলে যাবো সময় হাতে নাইরে।।.....
তুমি মারো আমারে
আমি মারি তোমারে
এই ভুল শিক্ষা -
দিলো কার খোদা রে?
ধর্মটা যার যার
কর্মের চাদরে
চলো সবে মিলেমিশে
থাকি খুব আদরে!
তুমি আমি দাদা-ভাই
রক্তে তো ভেদ নাই!
কেন তবে মিছেমিছি
রক্তের হোলি চাই?
আনিলো যে ধর্ম শান্তির দরিয়া
যুগেযুগে মরে লোক তাহারই লাগিয়া
ধর্মের ধোঁয়া তুলে মানুষের দুনিয়ায়
সারাক্ষণ গিলে খায় ধার্মিক চুতিয়ায়।।
°
°
°
ধর্মান্ধ
আহা!
বেশ বলেছো ভাইয়া তুমি
বেশ বলেছো দাদা!
জল আর পানি একই জিনিস
যে বোঝেনি? সে গাধা!
ওরে,
গাধার রাজ্যে শেয়াল মন্ত্রী
আমার দুনিয়াটা গনতন্ত্রী
তবুও?
ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি
মজ্জিদ মন্দির কাড়াকাড়ি
অহেতুকী মারামারি
কে বড় এই প্রশ্নে!
°
°
°
উৎসর্গীকৃত to সুমন দা
স্বার্থপরের এই দুনিয়ায়
আপন স্বার্থ খুঁজি
সবার হিসাব যেমনতেমনঅপ্রাপ্তবয়স্ক লোকেরা পড়বেন না!
🙏দয়াকরে এড়িয়ে যান🙏
________________________________
↑
↑
↑
↑
শুনতে নাকি বিশ্রী লাগে?
পোঁদ বাড়া আর গুদ! 👙
তবুও কেন যাচ্ছি ঘষে?
আচ্ছা খাসা দুধ!
এটা
পাপী লোকের ভাষা বাবু
বলুন, কতটা শ্লীল হবে?
যা বলেছি তা বলেছি
বাকিটা ক্ষমা করে দেবে! 🙏
ওদিকে
বলছে সুশীল: সান্ত্রি মশায়
একটুখানি থামবেন? 🚶♂️
পোষা গোরুর পোঁদ মেরে আর
কত্ত ↓ নিচে নামবেন? 👠
বলি
আমি পাপী তুমি পাপী
ও জ্ঞানী-পাপী সর্ব লোকে
তবুও কেন দেখছি তারে?
আপন পাপের চোখে! 🙈
বোট ক্লাবে নাইট ক্লাবে
ফ্ল্যাটে মাঠে ঘাটে
সর্বজনীন উর্বশীরা
শুদ্ধ গতর খাটে! 💄
পয়সা পাতি গয়না গাটি
দেইনি তো ভাই মাগনা
সত্য কেন করছি গোপন?
মোরা একই মামুর ভাগনা! 😎
তারে
অন্ধকারে বানাই রানী
আলোয় ডাকি বেশ্যা 🤔
নামেই মানুষ, ভণ্ডপ্রাণী
জাত শুয়োরের বাচ্চা!!
°
°
°
পোঁদ বাড়া আর গুদ
__________________ রশিদ ভাই।
পাঁচ আট একুশ
নায়িকার বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শুনেও নায়ক এলো না!
___ বাহ, দমদার স্ক্রিপ্ট! অতঃপর?
বাসায় র্যাব ঢুকে পড়লো, তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণে ওয়াইন, ভয়ংকর মাদক আইস, এলএসডি ও মাদক সেবনের সরঞ্জামাদি উদ্ধার করলো। নায়িকা এখন ভিলেন চরিত্রে!!!
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, সুতরাং, বিজ্ঞাপন বিরতি! দোস্ত, পিকচার আভি বাকি হ্যায়... কোত্থাও যাবেন না!
অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ পাঁচ ম্যাচ সিরিজে বাংলাদেশ আজকে ২-০ তে এগিয়ে গেল! অনেক বড় খুশির খবর, আনন্দিত হউন, হতেই পারেন, আমিও আনন্দিত।
আপাততঃ খেলার খবর শেষ!
এইদিকে, লেটনাইট পার্টির নামে মদ-মাদক ও নাচের আসর বসিয়ে সেখানে আসা সমাজের প্রভাবশালী, শিল্পপতি, বিত্তবান ব্যবসায়ী ও উচ্চবিত্তের সন্তানদের মুঠোফোনে ভিডিও ধারণ ও স্থির ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইলিং করে মোটা অংকের টাকা আদায় করা চক্রের কিছু মডেল ধরা পড়েছে, তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। ব্ল্যাকমেইলিং চক্রে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
_______ ঠিক আছে আনেন! প্রচলিত আইনে বিচারটাও হোক। সব ঠিক আছে। কিন্তু; কিন্তু এইসব ভুংভাং নিয়ে এতো কথা কেন?
এইসব সিনেমা প্যাক আপ করেন,
পাব্লিক আর এখন ওসব খায় না! হুদাই টকশো চোদায়া লাভ আছে?
আপনারা চাইলেই এগুলোকে মূলধারার সিনেমায় পরিণত করতে পারেন না! আপনারা মিডিয়া যা খাওয়াতে চান, তা-ই খাইতে হবে? এই লাইনের মিয়ারা এবং বইনেরা, দেশের হালহকিকত নিয়া কথা বলেন।
দর্শকেরা কিভাবে দিনাতিপাত করছে?
হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা কেমন চলছে? পারলে,
আমার রক্ত বেচে টাকা কামানো ভদ্রলোকেদের খবরের হেডলাইন করেন!
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত উর্ধগতি কিভাবে ঠেকানো যায়?
বর্তমানে মৌলিক চাহিদা মেটাতে সমর্থ কতজন নাগরিক?
এইরকম অপরিকল্পিত লকডাউন কতদিন চলবে?
পুঁজিবাদের প্রবল স্রোতে দর্শকেরা আর কতদিন ভাসবে?
এরকম হাজারো স্টোরি আছে....
যাইহোক
মাননীয় পরিচালক, সিনেমা যদি দেখাতেই হয় তাহলে বিরতিহীনভাবে "মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট!" দেখান!
গালি নয়, তালি পাবেন। দর্শকনন্দিত হবেন।
প্রযোজক সাহেব বিশ্বাস করেন,
ক্যারেক্টর লেছ মহিলা ভিলেন এ বাংলায় চলে না!
আপনার ব্যবসা লাটে উঠবে.....
°
°.°.
সময়ের চলচ্চিত্র: এলোমেলো গল্প!
রশিদ ভাই
চার আট একুশ
নতুন একটা কবিতা লিখবো বলে
ছুটে আসি বাংলা মায়ের কোলে
মায়ের চোখে স্বপ্ন দেখি
মায়ের হাতে খাই
মায়ের মতন এই জগতে
আপন কেহ নাই!
সর্বনাশের কালকূটেরা
কাটুর কুটুর করে
দর্পনাশের চিরকুটেরা
বাংলার ঘরে ঘরে!
ভয় কোরো না লক্ষ্মী মা'গো
ভয় কোরো না তুমি
সন্তানেরা লুটিয়ে যাবো
তোমার চরণ চুমি।।
ছড়াখেলায় উঠলে মেতে
ফেসবুকের এই ময়দানে
পাঁচটি ছড়া লিখতে হবে
একজনেরে পাঁচ দিনে!
বার্তা ঘরে যখন-তখন
খেলুড়ে এসে জমছে এখন
বেগোড় বাঁয়ে বলছে মোহন!
এই খেলাটা কার টানে?
বন্ধু বলয়ে শত ছড়াকার
কিন্তু, প্রস্তাবনা পাঁচ জনে!
কারে ছেড়ে কার নামটা বলি?
এই খেলা কি আর জমে?
°
°
°
_______________
ছড়ায় খেলা থাকে?
সে জানি না!
তবে, চ্যালেঞ্জ থাকে।
________________
উল্টো কথা বলছি সবাই
উল্টো কথাই শুনছি
উল্টো কথা বলেশুনে সঠিক মতটা চাইছি!
উল্টো পথে চলছি সবাই
উল্টো পথেই ফিরছি
উল্টো পথে চলেফিরে পথের দিশা খুঁজছি!
উল্টো কর্ম করছি সবাই
উল্টো কর্ম সইছি
উল্টো কর্ম করেসয়ে ভালো ফলটাই চাইছি!
উল্টো জ্ঞানটা দিচ্ছি সবাই
উল্টো জ্ঞানটাই নিচ্ছি
উল্টো জ্ঞানের দেয়ানেয়ায় মহাজ্ঞানী সাজছি!
এই
উল্টো গানটা গাইছি সবাই
উল্টো গানটাই শুনছি
উল্টো গানটা গেয়েশুনে সোনার বাংলা চাইছি!
একটা কবিতা লিখে দেয়ার বায়নাক্কা!
একেবারে অবুঝ শিশুর মতন বলছিলি:ভাইজান,
হামায় চোর ন্যাতারা সাদু;
আর আমলারা?
ওমরা বাইষষালি কদু!
ও ভাইজান,
ধান্দাবাজ আর চান্দাবাজে
ভরিয়া গ্যাছে দেশ!
অথচ,
গান গপ্পো কবিতা ছন্দে
সোনার বাংলাই বেশ!!
কয়্যা কি আর লাভ আচে ভাই?
শুইনচে কে কার কথা?
এইল্লা ভাবিলে নিদ আসে না
বিষেয় খালি মাথা!!
ঐ নাটবল্টুর ক্ষেমতা পাওয়ার
যাদের হাতে আচে
ওমরা
ন্যায়নীতি আর দেশ প্রেমটা
খাইচে, অল্পদামে ব্যচে!
মানষি'টা মুই ক্ষুদ্র তেবু
এই দেশেরই মালিক
মূল্য বোঝে চিত্রা শালিক?
খোঁজে অর্থবিত্তের ধনিক!!
"উৎসর্গঃ বড়ভাই M A Badsha, একসময়ে কলেজ পড়ুয়া রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ! ভালো থাকুন সবসময়, সত্য ন্যায় ও সুন্দরের সাথে থাকুন। ইনশাআল্লাহ, সুদিন উদ্ধারে এক কাতারেই থাকবো।"
°
°
°
নোংরা শালিক
________________ রশিদ ভাই।
পঁচিশ সাত একুশ
চাঁদের আলো বৃষ্টি হয়ে ঝরছে
দিওয়ানা মন তোমায় পেতে চাইছে
রাতটা যতই হোকনা গভীর
ঝরবে চাঁদের আলো
কিছুটা ভালোবেসো গো বন্ধু
আমিও বাসবো ভালো.....
চাঁদের আলোয় দেখেছি তোমায়
নিশুতি চাঁদনী রাতে
রাত পেরিয়ে ফুটেছে আলো
মিলেছে অবনী প্রাতে!
আজ ভালবাসার গল্পগুলো
লিখবো চাঁদের গায়
দূর থেকে চাঁদ ডাকছে জয়া
আয়রে কাছে আয়।।
°
°
°
জয়া
________________ রশিদ ভাই।
চব্বিশ সাত একুশ
পতিতা
আকাশের মন'টা সকাল থেকেই অন্ধকার,
তবে একপশলা বৃষ্টি হলে ভালই হতো,
টিনের চালে বৃষ্টির রিমঝিম থাকতো ;
বৃষ্টির জল গড়িয়ে যেত বারান্দার সামনে
দরদর করে পানিগুলো ছুটে যেত পুকুরের দিকে
একটা কবিতা লিখতে পারতাম!!!
মানুষের ছুটে চলা নিরন্তর
এঁরা না'কি আলোর পথে-
সভ্যতার শুরু থেকেই ছুটছে!
বৃষ্টি হলে এঁদের নিরন্তর ছুটেচলা
ছাঁইপাশ ভেবে একটা কবিতা লিখতাম!!!!
প্রকৃতির নিয়মটাও বদলে গেছে
রঙ - ডঙটাও যেন গিরগিটী সেঁজেছে
কখন কি হচ্ছে বলা মুশকিল!
ঠিক যেন ছূটে চলা মানুষগুলোর মত;
বৃষ্টি হলে প্রকৃতির রং-রুপ বদলানো
এসব ভেবেই একটা কবিতা লিখতাম!!!!
নারীদেহে আসক্ত প্রিয় বন্ধুটি জানালো ;
শরীফা নাকি এখন পতিতা!
বিশ্বাস করতে মন সায় দেয়নি,
অকর্মা কবির দোলাচলে কি এসে যায়?
বন্ধুটি কিন্তু পতিত হয়নি!
বৃষ্টি এসো গেল, শরীফা'কে ভেবেই নাহয়
একটা কবিতা লিখে ফেলি;
কিন্তু তা কি'করে হয়?
সে তো পতিতা!!
একটি ঘরের নির্মাণ শ্রমিকেরা মদ্যপান করতেন
কিছুসংখ্যক চোর ডাকাত লুটেরা খুনির দেয়া অর্থে
ঘরটির নির্মাণ ব্যয় নির্বাহ করা হয়,
বর্তমানে
একজন দায়িত্বশীল লেবাসধারী ব্যক্তি ঘরটির দেখভাল করছেন।
আজকাল দলেদলে উঁচুনিচু সুফি সাধু সন্ন্যাসী এবং
পাপীতাপী নারীপুরুষ সেখানে পবিত্র হতে আসেন!
অথচ, যিনি সকলকে পবিত্র করবেন
তিনি কখনোই সেখানে আসেন না!
অগত্যা,
আমিও তাকে ডেকেছি বহুবার
তিনি আসেন নি
দৈব চয়নে বলেন,
"হেথায় ডেকো না, আমি যেথাসেথা যাই না!"
দুধে ভেজাল মাছে ভেজাল, ভেজাল সকল খাদ্যে
ভেজাল খেয়ে অসুখে শরীর ভেজাল ওষুধপথ্যে!
নেতা ভেজাল কর্মী ভেজাল
ও ভাই, ভেজালে ভরা দেশটা
এই দেশেতে চলছে এখন সাম্প্রদায়িকতার চেষ্টা।।
ইবনে মিজান
ঘটমান বর্তমান
২১ জুলাই ২০১৯
তুমি করছো নিন্দা
যত্রতত্র প্রতিসন্ধা
তোমার জন্য আছে বান্ধা
একগুচ্ছ রজনীগন্ধা।।
তুমি আমার প্রিয় মিত্র
সারাদিন করো ষড়যন্ত্র
কে আছে আর এমন অত্র
তুমিই আমার প্রিয়পাত্র।।
তোমার জন্য সারাক্ষণি
নিজের ভূল নিজেই চিনি।।
= কোয়েল =
কখনো তুমি আদরিণী
কখনো নয়ন মণি
কখনো সেঁজেছ পূজারিণী
আবার কখনো মায়াবন বিহারিণী।
কখনো তুমি আবেদনময়ী
কখনো বেসেছো ভাল
কখনো তুমি করেছো খেলা
হয়েছো রাতের আলো
ছিল সে রাজা,
ছুটেছে সারাদিন, খেলেছে ডাংগুলি,
কেঁটেছে সাঁতার তিস্তানদীর পাড়ে।
গাছে উঠে আম, পাড়ে দমাদম
কে রুখতে পারে?
আপন রাজ্যে ছিল সে রাজা
বাকি সব যেন, ছিল তার প্রজা,
রাজার রাজ্যের রাজ্যেশ্বরী
ছিলনাতো কোন অপ্সরী।।
দিনমান শুধু দস্যিপনা, হুটোপুটি খেলা
রাজ্যপাটে ছিলনা কোন অবহেলা,
সে রাজ্যে বসেছিল তিন বেলা
নিষ্পাপ জনতার মিলন মেলা।।
রাজ্যে সবাই সুখেই ছিল
ছিলনাতো কোন কষ্ট,
উজির, নাজির সকলে ছিল
কেউ ছিলনা আড়ষ্ট।।
বাবার শাসন, মায়ের আদরে
হয়েছিল রাজা দুষ্টু!
সময়ের তালে হায়, দিন চলে যায়
রাজা এখন বয়সে পরিপুষ্ট।।
রাজার রাজ্য নেইতো খালি
রাজাই ছেলেই রাজা,
রাজা-রানী, সভাষদ মিলি
সেঁজে আছে তাই প্রজা।।
যে সময় হায়, পার হয়ে যায়
সে আসে না আর ফিরে,
সোনালী কৈশোর স্মৃতি হয়ে রয়
বৃদ্ধ রাজার স্মৃতিনীড়ে।।
= কোয়েল =
কারাবাসী
দেয়ালের বহিরাংশে তোমাদের পৃথিবী
বেঈমানেরা কেউ যাবে কি দেখে, কি সুখে আছি!
যার যেমন কর্মগুনে এসে পড়েছে জেলে,
এখানে প্রভাকর কঠিন নিয়ম মেনে চলে;
সূর্যোদয়ের আগেই ঘুম ভাঙতে হবে সেলে,
চার-চার করে বসতে হয় হিসাব মেলাতে গেলে;
সকাল হলেই পাঠালি গুড়,শুকনো রুটি মেলে
এই পৃথিবীর সকলেই তা গোগ্রাসে গিলে।।
দেয়ালঘেরা পৃথিবীতে এরা ৬০০ জন
সবাই যেন চিরচেনা, অতি আপনজন
কেউবা কেঁদে কূল পায়না, কেউবা খোঁজে মরণ
অপরাধী নয়তো সবাই, বিধাতার এ কেমন আচরণ?
মা আসে, বৌ আসে, আসে কত স্বজন
কেঁদেকেটে বুক ভাসায়, মুক্তি প্রয়োজন।।
মানুষের নাই মূল্য কোন, তার সাথে হয় অত্যাচার
খোদার কাছে নালিশ করারও নাই কোন উপায়ান্তর,
মানুষ যেন মানুষ নয়, গোবাদি পশুর ছানা
একদিন অত্যাচারিত মানুষগুলো করবে সব ফানাফানা।।
মিথ্যা দোষে অপরাধী এত! সামান্য কিছু দোষী,
বিনাদোষেই সাব্যস্ত দোষী, আজীবন কারাবাসী!
ভাগ্যাহত মানুষগুলো নিজভুমে পরবাসী,
ষড়যন্ত্রীর হবে কি বিচার, পরাতে গলায় ফাঁসি?
বিধাতার কী নাইরে বিচার,
বন্ধ হবে কবে অন্যায় - অবিচার?
(সং ক্ষে পি ত)
= কোয়েল =
হাতিবান্ধা: একটি রাক্ষসপুরীর গল্প।
জাগতিক রাক্ষসপুরী হতে নাতিদূরত্বে অবস্থিত চাকচিক্যময়, মনোহরা, প্রিয়দর্শিনী এই নগরীর নাম হাতিবান্ধা; বাস্তবতার নিরীখে কল্পিত এক ভুল নগরী। এর নির্দিষ্ট কোন মহাদেশ, জেলা বা উপজেলা নেই!
তার বাপ, মা, ভাই, বোন কিংবা আত্মীয়স্বজন?
পূর্বে ছিলেন বটে, তবে এখন আর কেউ নেই!
হঠাৎই সদলবলে কোথায় যেন মিলিয়ে গেছেন!
কোথায় মিলিয়েছেন? তা অনাবিষ্কৃত,
ইতিহাসবেত্তাগণের মতে: "যেইদিন হতে বিশালদেহী এই নগরীর দখল নিয়েছেন ইহলোকের অপরাজেয় মহাবীর রাক্ষসরাজ, সেইদিন হতে তাদের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় নি!"
রাক্ষসবংশের সুনিপুণ কারিগরি দক্ষতা, দূরদর্শী নেতৃত্বে তিলেতিলে গড়ে উঠেছে এই তিলোত্তমা নগরী।
চোখ ধাঁধানো রাক্ষসপুরীর অন্ধকার বন্দিশালায় হাতিবান্ধার বয়স একবিংশ শতাব্দীকাল পূর্ণ হতে চলেছে। সিংহাসনচ্যুত হাতিবান্ধার দুটো হাত বেঁধে, পায়ে শেকল পরানো হয়। মুখ হতে উপড়ে ফেলা দাত, নখাগ্র আর কেটে নেয়া জিহ্বামূল; - গোগ্রাসী রাক্ষসরাজ এবং তার বংশধরেরা মহা উল্লাসে হজম করেছেন বহু আগেই!
কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট দৈন্যদশায় নির্যাতিত, নিপীড়িত হাতিবান্ধার কোন যোগ্য উত্তরসূরি আজও বেঁচে আছেন কিনা? তা সঠিক জানা যায়নি!
তবে শোনা যায়, হাতিবান্ধা বংশধারার অনেকেই রাক্ষসবিবাহ করে মহাশক্তিধর রাক্ষসরাজের কৃপাদৃষ্টি অর্জন করেছেন এবং বহাল তবিয়তে ক্ষমতাসীন রাক্ষসবংশেই ঘরকন্না চালিয়ে যাচ্ছেন।
শত অন্যায়, নির্যাতন, নিপীড়ন সহ্য করে
তিলোত্তমার গর্ভজ বন্দিশালার অন্ধকূপে কোনরকমে বেঁচে আছেন অসহায় হাতিবান্ধা।
যদিবা তার হাত, পা আর কণ্ঠপথ অবরুদ্ধ;
তথাপি তার অন্তর এবং দৃষ্টিপথ সুদূরপ্রসারী।
এ দুটির দখল কেউই নিতে পারেন নি কখনো!
নিজের এহেন অক্ষমতাবশত -
সে কখনোই প্রতিবাদ করে নি, করতে পারে নি।
তবুও-
মুক্তির স্বপ্ন দেখে হাতিবান্ধা
হ্যাঁ, তবুও স্বপ্ন দেখে- নিশ্চয়ই কোন একদিন;
এই চাকচিক্যময় অন্ধকার কারাগারের বন্দিদশা হতে মুক্ত করতে পবিত্র আলোর মশালবাহী, দুর্দান্ত দাপুটে, দিগ্বিজয়কারী, ত্রাণকর্তা আসবেন; তিনি আসবেন, অবশ্যই আসবেন, তাকে যে আসতেই হবে !
অসহায় হাতিবান্ধা;
বিশ্বাসের আঁকড়ে ডুবে থাকে সারাক্ষণ,
আর মনেপ্রাণে সেইদিনের স্বপ্ন দেখে!
যেইদিন খুব বেশী দূরে নয়....।।
০২:২৮/২১-০৭-২০১৮ খ্রিস্টাব্দ।
ফুলগুলো সব যাচ্ছে ঝরে
রাখছি না কেউ খবর
নিত্যদিনই যাচ্ছি খুঁড়ে
নিত্যনতুন কবর! হায় হায়!
ডায়রিয়া আর ম্যালেরিয়া
কিংবা ডেঙ্গুজ্বরে
ধুঁকছে মানুষ মরছে মানুষ
কী লাভ হবে কয়ে? হায় হায়!
পড়ছি সবে ইন্না লিল্লাহ
পাঁজর যাচ্ছে ভেঙে
নিরুদ্দেশের যাত্রাপথে
বেহেশত নিচ্ছি মেঙ্গে! ক্ষমা চাই।
ক্ষমা করে দাও
প্রভু সুন্দর
ক্ষমা করে দাও মোরে
তাদের দিকেও খেয়াল রেখো
ওরা চলছে গায়ের জোরে! হায় হায়।।
°
°
°
ক্ষমা চাই
রশিদ ভাই
বিশ সাত কুড়ি।
আমাদের বাহুবলী চাঁন্দার ধান্ধায় রাজ্যের গৃহনির্মাণ প্রকল্প কর্তার নম্বরে ফোন করেছেন:
____ "কী মশায়, অসহায় ভূমিহীন গৃহহারা লোকেদের জইন্য গৃহনির্মাণ করছেন, ভালো কথা। কিন্তু, এই বাহুবলীর নামডা বেমালুম ভুইল্যা গ্যাছেন! ব্যাপারটা ক্যামোন হৈয়া গ্যালো না?"
অপরপ্রান্তে থাকা কর্তাব্যক্তি সানুগ্রহে বাহুবলীকে প্রকল্প এলাকায় আসতে বলেন। আহবান পাওয়া মাত্রই বাহুবলী তার সহচর কাট্টাপ্পা'কে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে গৃহনির্মাণ প্রকল্পে চলে যান।
কিন্তু, এ কি!
এখানে তো চাঁন্দা দেয়ার জন্য কর্তা ব্যক্তিদের কেউই উপস্থিত নাই!!
পরিস্থিতিতে, বাহুবলী আর কাট্টাপ্পা'র মাথা গরম হৈতে থাকে। একপর্যায়ে রেগেমেগে বাহুবলী ঐ প্রকল্পের ঘরগুলোতে লাথি মারতে শুরু করেন! সাথে- সাথে কাট্টাপ্পা'ও শুরু হয়ে যান। তিনি খানিক বাদে বাদে
"অমরেন্দ্র বাহুউউউ...বালী" বলে হুঙ্কার ছাড়েন আর বাহুবলীর সাথে সমানতালে ঘরগুলোতে লাত্থি ঘুষি মারতেই থাকেন! দুজনের লাথি আর ঘুষিতে ত্রিশটি ঘর নিমিষেই ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়ে যায়।
লাস্ট সিন:
একজন জুনিয়র আর্টিস্ট চিল্লাইয়া ফাল্লাইয়া কইতে থাকেন:
" ঐ হমুন্দির পুতেরা, বাহুবলী আর কাট্টাপ্পা'র লাত্থি বইলে কতা, তগের এই ত্যাড়াংব্যাড়াং ঘর না ভাইঙ্গা যাইবো কৈ?"
....The End.....
°
°
°
বাহুবলী: পার্ট থ্রি!
------------------------ রশিদ ভাই।
ঊনিশ সাত একুশ
আপনি সেরা-আপনি মহান-আপনি মোদের ভাই
ও তল্লাটে আপনার চেয়ে যোগ্য কেহই নাই!
আপনি মোদের অতীতজ্ঞ, দেবেন কর্মফল!
কৃতজ্ঞতায়ঃ পাচেটেদেই
আহা! মহামহিম পদতল.....
°
°
পাচেটেদেই
_______ রশিদ ভাই।
ঊনিশ সাত একুশ
"ঘরটা পেতে লাগছে মোটে
তিন কুড়িতে ষাট!
দেবার কতা ছিলো ফ্রিতে
খরচা আছে but!"
দশ দশেতে একশো হৈলে
দশ শতকে হাজার
তোঁরা এতো খাইতে পারেন!
ও বাহে.....
কোন্ঠে করেন বাজার?
ষাট মানে কি?
but মানে কি?
কিচুই বুইচ্চি নাতো চ্যাট!
একনা কতা বুইচ্চি বাহে
তোমার হাঁটুয়া থাকি প্যাট!
এক কুড়িতে হাজার কুড়ি
তিন কুড়িতে ষাট
অক্তচোষা চাম বাদুড়ে
সাজিয়া আইচ্চে লাট!
মোর
জমিনে গৃহ ঘরটা দেলো
শ্যাখের বেটি হাচিনা
চটি বিছিয়া ফান পাতিচে
লাটের জ্বালায় আর বাঁচি না!
°
°
°
[রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত লেখাটির কোথাও বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে কি? হলে জানাবেন। ধন্যবাদ ]
জমিনে গৃহ
______________ রশিদ ভাই।
তেইশ এক একুশ